(১) ক্বলবঃ স্থান-বাম স্তনের দুই আঙ্গুল নীচে। ইহা তওবার মাকাম। হযরত সাইয়্যিদিনা আদম (আঃ)-এর ওসীলায় ফায়েয প্রাপ্ত হয়ে থাকে। ক্বলবের নূরের রং হলুদ।
(২) রূহঃ স্থান-ডান স্তনের দুই আঙ্গুল নীচে। ইহা ইনাবাতের মাকাম। হযরত সাইয়্যিদিনা নুহ্ (আঃ) ও হযরত সাইয়্যিদিনা ইব্রাহীম খলিলুল¬াহ্ (আঃ)-এর উসীলায় ফায়েযপ্রাপ্ত হয়ে থাকে। রূহে নূরের রং লাল।
(৩) সিরঃ স্থান- বাম স্তনের দুই আঙ্গুল উপরে। ইহা যুহ্দের মাকাম। হযরত সাইয়্যিদিনা মুসা কালীমুল¬াহ্ (আঃ) এর উসীলায় ফায়েয প্রাপ্ত হয়ে থাকে। সিরের নূরের রং সাদা।
(৪) খফীঃ স্থান-ডান স্তনের দুই আঙ্গুল উপরে। ইহা ওয়ারার মাকাম। হযরত সাইয়্যিদিনা ঈসা র”হুল¬াহ্ (আঃ) -এর উসীলায় ফায়েযপ্রাপ্ত হয়ে থাকে। খফীর নূরের রং কালো।
(৫) আখফাঃ স্থান-সীনার মধ্যস্থানে। ইহা শোকরের মাকাম। আখফা হযরত রাসূলুল¬াহ্ সাল¬াল¬াহু আলাইহি ওয়া সাল¬াম হতে ফায়েযপ্রাপ্ত হয়ে থাকে। আখফার নূরের রং সবুজ।
(৬) নফসঃ স্থান-কপালের মধ্যস্থানে। ইহা তাওয়াক্কুলের মাকাম। নফ্সের নূর বিশুদ্ধ হওয়ার পর রংবিহীন তারার ন্যায় চমকদার উপলব্ধি হবে।
(৭) আবঃ স্থান-সম্পূর্ণ শরীরে। আব অর্থ পানি। ইহা কানাআতের মাকাম।
(৮) আতশঃ স্থান-সম্পূর্ণ শরীরে। আতশ অর্থ আগুন। ইহা তাসলীমের মাকাম।
(৯) খাকঃ স্থান-সম্পূর্ণ শরীরে। খাক অর্থ মাটি। ইহা রিযার মাকাম।
(১০) বাদঃ স্থান-সম্পূর্ণ শরীরে। বাদ অর্থ বাতাস। ইহা ছবরের মাকাম।
সুলতানুল আযকার ঃ
একসাথে দশ লতিফার যিকিরকে সুলতানুল আযকার বলা হয়। এই মাকামে শরীরের প্রত্যেকটি লোমকূপ হতে আল্লাহ-আল্লাহ যিকির জারি হয়। মস্তানে কাদরী শাহ্ মোহাম্মদ সুলতান মাাহমুদ আনছারী হুজুর বলেনÑ দশ লতিফার মাধ্যমে আমল করতে পারলে নূরের খেলা, তাজালির ফায়েয বুঝতে পারবে। দশ লতিফার প্রতিটি মাকামের রং দেখতে পাবে। মোয়াক্কেল ও যেরে কদম দেখতে ও বুঝতে পারবে। এতে বুঝা যাবে সুলতানুল আযকার হাসিল হয়েছে।
এরপর দায়েরা মাকামে যেতে হবে।
নক্শাবন্দিয়া-মুজাদ্দিয়া তরীকায় দায়েরার সংখ্যা- ৩০টি
কাদরিয়া তরীকায় দায়েরার সংখ্যা- ১৬টি
চিশতিয়া তরীকায় দায়েরার সংখ্যা- ১৪টি
ভাই দায়েরা হুলো কোথাওই পোস্ট করছেন
উত্তরমুছুন